আপনার স্ত্রী কে গুরুত্ব দিন।

পুরুষের জীবনে এমন একটা সময় আসে, তখন আর শরীরের শক্তি থাকেনা, পকেটের জোর থাকে না, এতোদিন যাদেরকে খাইয়েছিলো , যাদের কথায় নেচেছিলো তারা কেও পাশে থাকে না। পাশে থাকে একমাত্র ঐ অবলা নারী তার স্ত্রী। যাকে সে দিনের পর দিন অবহেলা করেছিলো, মানুষের কথায় তার উপর মানসিক, শারীরিক নির্যাতন করেছিলো।

পুরুষকে জন্ম দেন একজন নারী, আবার সেই পুরুষের শেষ সময়টায় পাশে থেকে সুন্দর একটা মৃত্যু উপহার দেয় একজন নারী।

একজন পুরুষের শারীরিক শক্তি ও পকেটের জোর যতদিন থাকবে ততোদিন সে তার স্ত্রীকে মানুষ মনে করে না। যখন এসবে ভাটা নেমে আসে তখন তার হুশ ফিরে কে তার আপন আর কে তার পর। আসলে তখন আর কিছুই করার থাকে না।

আপনার ভালোবাসার এখন আর তেমন মূল্য থাকে না কারণ আপনার স্ত্রীর কাছে এসবের আর দরকার পড়ে না। সে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে অন্যভাবে, হেলায় অবহেলায়, ভালোবাসায়, যত্নে কোনোকিছুতে সে খুশি অখুশি হতে পারে না।

সংসার এক মায়ার বাঁধন, এখানে ভালো লাগলেও আকঁড়ে ধরে থাকতে হয়, না লাগলেও থাকতে হয়।কত-শত সংসার টিকে থাকে শুধুমাত্র সন্তানের মুখের দিকে চেয়ে। সেই সন্তানও এক সময় পর হয়ে যায়।

শেষ বয়সে এসে পাওয়া না পাওয়ার হিসেব মিলাতে গিয়েও হিসেব মিলেনা। সেই অবহেলিত, অযাচিত নারীই আপনার শেষ বয়সে আপনাকে বাহুড়োরে বেঁধে রাখে বিপদে-আপদে, সুখে দুঃখে।

আজ থেকেই সতর্ক হোন, নিজের সহধর্মিণীকে মূল্য দিন, শেষ বয়সে অন্ততঃ লজ্জিত হতে হবে না তার কাছে।


স্মামী স্ত্রীর মধুর সম্পর্কে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *