ফোরপ্লে ও উত্তম যৌন মিলন। জানা জরুরি সবার

ফোরপ্লে ও উত্তম যৌন মিলন

➡️ যৌন মিলন বিবাহিত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বংশ ধারা বজায় ও শারীরিক চাহিদা পূরন করার জন্য সহবাস দরকার।
এই সহবাস করার সঠিক নিয়ম অনেকে জানেন না।

✅ সহবাস করার আগে ভালো করে ফোরপ্লে
করা দরকার। আসুন জেনে নেই ফোরপ্লে কি?

উত্তরঃ- ফোরপ্লে হলো মূলত সহবাসের আগে স্ত্রীকে পরিপূর্ণ তৃপ্তির জন্য বা স্ত্রীর যৌন চাহিদা জাগানোর জন্য কিছু কার্য। যেমনঃ

১. লিপ কিস করা।
২. গালে, নাভীতে কিস করা।
৩. পেঠে, নাভীতে, কো*মরে আলতো করে হাত বুলিয়ে দেওয়া।
৪. স্ত্রীর জিহ্বার সাথে নিজের জিহ্বা লাগানো বা চোষা।
৫. স্ত্রীর যোনিতে আলতু করে হাত বুলিয়ে দেওয়া সুরসুরি দেওয়া।
৬. স্ত্রীর স্তনে হাল্কা করে চাপ প্রয়োগ করা। কিন্তু ব্যথা দেওয়া যাবে না।
৭. স্ত্রীর স্তন চুষতে পারেন। এতে সহবাস করার জন্য বেশি উত্তেজিত হবে।
৮. কানের লতিতে এবং ঠোঁটের কিনারায় কিস করতে পারেন।
৯. দীর্ঘ সময় লিপ কিস করা।
১০. নিতম্ব বা পাচায় হাত বুলিয়ে দেওয়া।
১১. ঠোঁট চুষা।
১২. যৌনাঙ্গ মুখে নেওয়ার দরকার নাই। কেননা স্বাস্থ্যগত ভাবে এটি খারাপ।।

➡️যখন যোনিতে কাম রস আসবে মানে যোনি পর্যাপ্ত পিচ্ছিল হবে তখন সহবাসের জন্য প্রস্তুত হওয়া।

ফোরপ্লের গুরুত্ব

১. স্ত্রী সহবাসে চরম তৃপ্তি পাবে।
২. সহবাস কষ্টকর হবে না।
৩. সহবাস দীর্ঘ সময় হবে।
৪. লিঙ্গ সহজে প্রবেশ করবে।
৫. ব্যথাহীন সহবাস হবে।
৬. ফোরপ্লে করলে স্ত্রীর অর্গাজম হবে দ্রুত।
৭. বেশি ফোরপ্ল করলে ছোট লিঙ্গ দিয়েও সহবাসে তৃপ্তি দেওয়া সম্ভব।
৮. ফোরপ্লে নিজের সম্পর্কে বন্ধন শক্ত করে।
৯. আত্নবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।

✋ জানেন কি??
সহবাস ছাড়াও ফোরপ্লে করেই ৪০% তৃপ্তি দেওয়া সম্ভব।

ফোরপ্লে ছাড়া শুধু সেক্স করে পরিপূর্ণ তৃপ্তি দেওয়া অনেক সময় সম্ভব না।

যাদের দ্রুত বীর্যপাত হয় তারা সহবাস করুন কম। ফোরপ্লে করুন বেশি। নিজের সুবিধা মত কৌশল অবলম্বন করুন।

এক কথায় ফোর প্লে হলো আদর ও আলিঙ্গন। নিজের ও সঙ্গীর যৌন উত্তেজনা নিশ্চিত করা। এর ধরাবাঁধা কোন নিয়ম নেই ।।

 


যৌন মিলনে মেয়েরা কিভাবে পুরুষকে উত্তেজিত করবে?
——————————————————
আপনার সংগীকে বারে বারে চুমু দিন । তার শরিরে আলতভাবে হাত বুলাতে থাকুন । তাকে জরিয়ে ধরে আদর করুন । তার সারা শরিরে চুমু দিতে থাকুন । তাকে আলতভাবে কামড় দিন । এই প্রক্রিয়াগুলো চালিয়ে যান । দেখবেন সে উত্তেজিত হয়ে উঠবে।

প্রথমেই স্ত্রীর স্বামীর যৌনতা সম্পর্কে কিছু প্রাথমিক জ্ঞান রাখতে হবে। তারপর অগ্রসর হবেন।

ক। মিলনের প্রস্তুতিঃ

১. বেশির ভাগ মেয়ে সারাদিন কাজের শেষে ঘর্মাক্ত শরীরে স্বামীর সাথে শুতে যায়। কিন্তু স্বামী সর্বদা আশা করে স্ত্রী সতেজ অবস্থায় তার শয্যাসঙ্গী হবে। তাই পরিচ্ছন্ন অবস্থায় বিছানায় যাবে।

২. সহবাসের রাত্রিগুলিতে সাজসজ্জা ও পোশাকের ব্যাপারে স্বামীর পছন্দের গুরুত্ব দিবে।

৩. অন্যান্য দিনে অন্তর্বাস পরিধান না করলেও সহবাসের রাত্রিতে ব্লাউজের নিচে বক্ষবন্ধনী ও নিম্নাঙ্গে প্যান্টি পরা উচিৎ। এর ফলে স্বামী মিলনে বাড়তি উত্তেজনা অনুভব করে।

৪. যে সব মেয়ের গুপ্তাঙ্গে ঘন চুল আছে, তারা অনেকেই চুল কেটে রাখতে চায়। গুপ্তাঙ্গের চুলের ব্যাপারে স্বামীর ইচ্ছাকে প্রাধান্য দেবে। স্বামী যদি চুল অপছন্দ করে, তাহলে ছেঁটে রাখবে।

৫. মুখের দুর্গন্ধের ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। সম্ভব হলে বিছানায় যাবার আগে দাঁত মেজে নিতে হবে।

খ। মিলনের আগেঃ

১. স্বামী উত্তেজিত হলে তার একমাত্র লক্ষ্য থাকে স্ত্রীর যোনিপথে প্রবেশ, অন্য কিছুর ধৈর্য্য তার তখন থাকে না। পর্যাপ্ত প্রেম সত্যেও বেশিরভাগ পুরুষ তখন মধুর প্রেমক্রীড়া করতে পারে না, ফলে মিলনের সময়টা কমে আসে। তাই স্ত্রীর উচিত স্বামীকে কাম চরিতার্থ করার পাশাপাশি প্রেম ক্রীড়ায় উৎসাহিত করা। এজন্য উচিৎ স্বামীকে আলিঙ্গন ও চুম্বনের মাধ্যমে তার ভেতরের প্রেমিক সত্তাকে জাগ্রত করে তোলা।

২. চুম্বনের সময় পরস্পরের জিহ্বা নিয়ে খেলবে, জিহ্বা দিয়ে জিহ্বায় আঘাত করবে। আর স্ত্রীর উচিৎ জিহ্বার লড়াইয়ে জয় লাভ করা এবং স্বামীর মুখের অভ্যন্তরে সূচালো করে জিহ্বা প্রবিষ্ট করে দেওয়া। যৌনাঙ্গের পাশাপাশি মুখের এই মিলন অত্যন্ত আনন্দদায়ক। আর বলা হয়, সহবাসে স্বামীর পুরুষাঙ্গ স্ত্রীর যোনিপথে প্রবেশ করে, আর স্ত্রীর জিহ্বা স্বামীর মুখে প্রবেশ করবে, এই সুন্দর বিনিময়ে অর্জিত হবে স্বর্গসুখ।

৩. সাধারণত দেখা যায়, স্বামী উত্তেজনার বশে স্ত্রীর কাপড় খুলছে, কিন্তু স্ত্রী নিশ্চুপ। পরে স্বামী বেচারাকে নিজের উত্তেজনা বিসর্জন দিয়ে নিজের কাপড় খোলায় মনোযোগ দিতে হয়। কিন্তু স্ত্রীর উচিৎ, স্বামী যখন তার কাপড় খুলবে, তখন ধীরে ধীরে স্বামীর কাপড় খোলার দিকেও মনোযোগ দেওয়া। এই পারস্পরিক সৌহার্দ্য মিলনের আনন্দ যে কতগুণ বাড়িয়ে দেবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

৪. স্বামীকে যে স্ত্রী উপলব্ধি করাতে পারে যে তার রূক্ষ শরীরও স্পর্শকাতর, সেই প্রকৃত রমণী। স্বামী যেমন স্ত্রীর গায়ে হাত বুলায়, স্ত্রীর স্তন চুম্বন করে, তেমন করে স্ত্রী যদি স্বামীর সর্বাঙ্গে হাত বুলায়, চুম্বন করে, বিশেষ করে বাহুতে, বুকে ও পিঠে। আরেকটি কাজ আছে যা পুরুষকে অত্যন্ত আহ্লাদিত করে, তা হলো তার গলার নিচে ও বুকে নিপলে চুম্বন।

গ। মিলনের সময়ঃ

মিলনের সময় কী করা উচিৎ তা এভাবে ক্রমিক নম্বর দিয়ে বর্ণনা করা সম্ভব নয়, কারণ তা নির্ভর করবে স্বামী ও স্ত্রীর পারস্পরিক বৈশিষ্টের উপর।

প্রথম কর্মপ্রণালী সকলের জন্যঃ

১. সঙ্গমের সময় স্বামীকে যথা সম্ভব কাছে টেনে রাখবে, যেন বুকের মাঝে মিশিয়ে ফেলতে চাইছে।

২. অধিক পরিমাণে চুম্বন করবে, স্বামীর বাহু, কাঁধ, গলা, মুখে। আর স্বামী যেরূপ স্ত্রীর যোনিতে তার বিশেষ অঙ্গ প্রবেশ করিয়েছে, সেরূপ স্বামীর মুখে চুম্বনের মাধ্যমে গভীরভাবে জিহ্বা প্রবেশ করিয়ে দিবে।

৩. সঙ্গম করা স্বামীর জন্য অত্যত পরিশ্রমের কাজ। তাই মাঝে মাঝে নিবিড় চুম্বনের মাধ্যমে স্বামীকে কিছু মুহূর্তের জন্য বিরতি দিবে।

দ্বিতীয় কর্মপ্রণালী নীরস মেয়েদের জন্য।

নীরস বলতে যাদের সাথে সহবাসে স্বামী বেশি আনন্দ পায় না। যদি অনুচ্চ স্তন (যা নির্দেশ করে অল্প যোনিরস),

সাধারণের অধিক ঋতুস্রাব (যা নির্দেশ করে যোনিরসে পুরুষের আনন্দের উপকরণ কামরসের ঘাটতি),

যোনিমুখে পুরুষের বাহু/পায়ের লোম অপেক্ষা ঘন চুল (যা নির্দেশ করে যোনিপথের স্বাভাবিক কোমলতার অভাব)-

বৈশিষ্ট্য তিনটির অন্তত দুইটি থাকে, তবে সেই রমণী নীরস।

নীরস রমণীর করণীয়ঃ

১. স্বামী যদি খর্ব হয় (পুরুষাঙ্গ পাঁচ আঙ্গুলের কম), তাহলে কোন সমস্যা নেই, বরং স্বামী পুর্ণাঙ্গ আনন্দ পাবে। তাই দুশ্চিন্তা না করে সহবাসে মনোনিবেশ করবে।

২. স্বামী সাধারণ হলে (পুরুষাঙ্গ ছয় ইঞ্চি দীর্ঘ) স্ত্রীর উচিৎ হবে সহবাসের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেওয়া, তা না হলে স্বামীকে সম্পূর্ণ সুখ দিতে পারবে না।নিজে নিজেকে সুরসুরি দিলে অনুভূতি কম হয়, কিন্তু অন্য কেউ দিলে অধিক অনুভব করা যায়,
সেরূপ স্ত্রী যদি নিজে কোমর চালনা করে সহবাস কার্য চালায়, তাহলে স্বামীর অধিক আনন্দ হয়।

৩. যদি স্বামী দীর্ঘ হয় (পুরুষাঙ্গ ছয় আঙ্গুলের অধিক), তাহলে তাকে তৃপ্ত করতে স্ত্রীকে বিশেষ ভূমিকা রাখতে হবে।

⭕ এটি শেয়ার করতে লজ্জা করবেন না। ধন্যবাদ


ঘটকসেবা লক্ষ্মীপুর। ঘটক সেবা। ম্যারেজ মিডিয়া লক্ষ্মীপুর। ghotokseba lakshmipur. Marriage media lakshmipur

 

 

 

পোস্ট ভালো লাগলে কমেন্ট করে জানিয়ে দিন এবং শেয়ার করে অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *